মহানগর ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৪৩

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, এ জন্য বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আজ বুধবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে–‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। দীর্ঘায়ু যেমন মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি তাদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলোকে সময়োপযোগী করার প্রয়োজনীয়তাও সামনে নিয়ে আসছে।
তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন ও সতর্ক। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনের ইশতেহারে উল্লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।
প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, প্রবীণ ব্যক্তিরাই পরিবার ও সমাজের মূল ভিত্তি। তাদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই একটি কল্যাণমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে প্রবীণদের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি রাখা অপরিহার্য। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র–এই তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান ও সহানুভূতি বজায় রাখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি সমাজে আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ যত বেশি বজায় থাকবে, প্রবীণদের যত্ন ও মর্যাদা তত বেশি সুরক্ষিত থাকবে।
বাণীর শেষে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, যেখানে তরুণ থেকে প্রবীণ–প্রতিটি মানুষ পূর্ণ মর্যাদা নিয়ে বাস করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

