আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪

সুইডিশ বিজ্ঞানী ও শিল্পপতি আলফ্রেড নোবেলের নামে এই পুরস্কারের নামকরণ করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর)। সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের সংবাদ সম্মেলন থেকে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
এর আগে সোমবার চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল বিজয়ী নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি। এ বছর ‘লাইট-গেটেড আয়ন চ্যানেল’ (light-gated ion channels) ও ‘অপটোজেনেটিক্স’ (optogenetics) বিষয়ক আবিষ্কারের জন্য কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগম্যান এবং জর্জ নাগেল-কে যৌথভাবে চিকিৎসাশাস্ত্রে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি।
প্রতি বছর নোবেল পুরস্কার ঘোষণার আগে সম্ভাব্য বিজয়ীদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। তবে নোবেল কমিটির বাছাই প্রক্রিয়া গোপন থাকায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কারা পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। গবেষণার গুরুত্বের পাশাপাশি উলফ প্রাইজ, ব্রেকথ্রু প্রাইজসহ বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কার পাওয়া বিজ্ঞানীদেরও সম্ভাব্য নোবেলজয়ী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এবার সম্ভাব্য বিজয়ীদের আলোচনায় কোয়ান্টাম তথ্যবিজ্ঞান, মহাকাশবিজ্ঞান ও কনডেন্সড ম্যাটারের মতো ক্ষেত্রগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে আহারোনভ-বোহম ইফেক্ট এবং জিওমেট্রিক বা বেরি ফেজ নিয়ে দীর্ঘদিনের গবেষণার জন্য ইয়াকির আহারোনভ ও মাইকেল বেরির নাম আবারও আলোচনায় এসেছে। ১৯৯৮ সালে তারা যৌথভাবে উলফ প্রাইজ পেয়েছিলেন। সাম্প্রতিক কিছু পূর্বাভাসেও তাদের নাম সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে উঠে এসেছে।
এ ছাড়া কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও উচ্চশক্তির জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানও এবার সম্ভাব্য নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্র হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের উলফ প্রাইজ পাওয়া জুন ইয়ের নামও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ইমেজিং ও সময় পরিমাপের ক্ষেত্রে অতি-নির্ভুল অপটিক্যাল পারমাণবিক ঘড়ি উন্নয়নে তার অবদানের জন্য তিনি বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছেন।
তবে শেষ পর্যন্ত কোন গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে এবং কারা ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন, তা জানা যাবে আজকের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই।

