মহানগর ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮

অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। নিয়োগের সুপারিশ পাওয়ার পরও স্থানীয় ঠিকানা নিয়ে জটিলতার কারণে তার নিয়োগ আটকে থাকায় তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মিশন আচার্যের নিয়োগ চূড়ান্ত করার তথ্য জানানো হয়।
এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন মিশন। তবে তার বসতভিটা ও স্থানীয় ঠিকানা নেই—এমন কারণ দেখিয়ে নিয়োগপত্র দেয়া হয়নি। এতে চাকরি পাওয়া নিয়ে মিশন ও তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের হস্তক্ষেপে মিশনের নিয়োগ নিয়ে তৈরি জটিলতার সমাধান হয়। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস তার নিয়োগ অনুমোদন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, মিশন আচার্যের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে শিক্ষক হিসেবে তার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়। এখন থেকে মিশন আচার্যের নামের পাশে যুক্ত হলো ‘শিক্ষক’ পরিচয়।
শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভের পর মিশন আচার্য বলেন, যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শিক্ষক হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু হলো, তা আমি মনে রাখব। দেশ ও জাতি গড়ার মহান দায়িত্ব পালনে আমি আমার মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করব।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, শিক্ষামন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছেন। মিশনের হাতে নিয়োগপত্র পৌঁছানোয় আমরা আনন্দিত। এই ঘটনা প্রমাণ করে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমের সোচ্চার ভূমিকা এবং সরকারের ইতিবাচক মনোভাব থাকলে যেকোনো প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন সম্ভব।

