আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১:০৩

উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ থাকার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। প্রতীকী ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো– বিশেষ করে উত্তর কোরিয়ার সাথে তার সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। একই সময়ে উত্তর কোরিয়ার (ডিপিআরকে) সাথে কূটনৈতিকভাবে আলোচনার বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।
সম্প্রতি ওহাইওতে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণামূলক এক সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ এবং প্রধান পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে সেই সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘মানুষের হাতে যখন ১১২টি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তখন একে অপরের সাথে মিলেমিশে থাকাটাই ভালো’। তবে তিনি ক্ষেপণাস্ত্রের এই সংখ্যার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
ট্রাম্প এর আগে আগস্ট মাসে বলেছিলেন, কিমের কাছে ৫৭টি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে; এমন একটি সংখ্যা যা স্বাধীন হিসাব-নিকাশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট চলতি বছরের শুরুর দিকে এক প্রাক্কলনে জানিয়েছিল, উত্তর কোরিয়ার কাছে প্রায় ৬০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে; অথচ তাদের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মূল্যায়নে এই সংখ্যাটি ছিল প্রায় ৫০।
সংস্থাটির তথ্যানুসারে, জানুয়ারি মাস নাগাদ উত্তর কোরিয়ার কাছে অন্তত ৯০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড বা যুদ্ধাস্ত্র তৈরির মতো পর্যাপ্ত ফিসাইল মেটেরিয়াল বা বিভাজনযোগ্য পদার্থ ছিল।
সূত্র: এনকে নিউজ

