১৯৬৩ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির হত্যাকাণ্ডের
প্রকাশিত : ১৯ মার্চ ২০২৫, ৩:৫৮:০২
১৯৬৩ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েক হাজার নথি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রকাশ এসব নথি প্রকাশ করা হয়েছে বলে এপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এপি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আর্কাইভস অ্যান্ড রেকর্ডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ওয়েবসাইটে ৬৩ হাজার পৃষ্ঠার প্রায় দুই হাজার ২০০ ফাইল পোস্ট করা হয়েছে।
এদিকে গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, খুব শিগগিরই নথিগুলো অবমুক্ত করা হবে। তবে, এটি প্রায় ৮০ হাজার পৃষ্ঠার হবে বলে অনুমান ছিল তার।
ওয়াশিংটনে জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস পরিদর্শনের সময় ট্রাম্প বলেন, 'আমাদের কাছে প্রচুর নথি আছে। আপনারা সেগুলো থেকে অনেক কিছু পড়তে পেরেছেন।'
জন এফ. কেনেডির হত্যাকাণ্ড নিয়ে মার্কিনিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ আছে। কারণ এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে অসংখ্য ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়েছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত অবশিষ্ট গোপন ফাইল প্রকাশের নির্দেশ দেন। তিনি জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে নথিগুলো প্রকাশে একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে বলেছিলেন। তার এই আদেশের উদ্দেশ্য ছিল—সিনেটর রবার্ট এফ কেনেডি ও রেভারেন্ড মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত অবশিষ্ট ফেডারেল নথিগুলো প্রকাশ্যে আনা।
২০১৭ সালে প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়া ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি বাকি সব নথি প্রকাশের অনুমতি দেবেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তার সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কায় পিছিয়ে যান। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে নথি প্রকাশ অব্যাহত থাকলেও কিছু নথি অদৃশ্য থেকে যায়।
ন্যাশনাল আর্কাইভস বলছে, তাদের সংগ্রহে থাকা ৬০ লাখ পৃষ্ঠার রেকর্ড, ছবি, চলচ্চিত্র, রেকর্ডিং এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নিদর্শন ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষকরা অনুমান করেছেন—তিন হাজার বা তার বেশি ফাইল পুরোপুরি বা আংশিকভাবে প্রকাশ হয়নি। গত মাসে এফবিআই জানায়, তারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রায় দুই হাজার ৪০০ নতুন রেকর্ড খুঁজে পেয়েছে। সংস্থাটি তখন বলেছিল, তারা রেকর্ডগুলো ডিক্লাসিফিকেশন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে জাতীয় আর্কাইভসে স্থানান্তর করতে কাজ করছে।