প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট ২০২৪, ১১:১৯:৩৯
দৃষ্টিনন্দন ফ্রি কিকে দলকে এগিয়ে নিলেন মিরাজুল ইসলাম। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সুযোগসন্ধানী হেডে এই ফরোয়ার্ড ব্যবধান করলেন দ্বিগুণ। এরপর তিনিই সুর বেঁধে দিলেন সতীর্থের গোলে। স্বাগতিক নেপালকে উড়িয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয়ের উচ্ছ্বাসে ভাসল বাংলাদেশ।
নেপালের ললিতপুরের আনফা কমপ্লেক্সে বুধবার ৪-১ গোলে জিতেছে মারুফুল হকের দল। চ্যাম্পিয়নদের অন্য দুই গোলদাতা রাব্বী হোসেন রাহুল ও পিয়াস আহমেদ নোভা।
বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
ফাইনালের জয়ে মধুর প্রতিশোধও নেওয়া হলো বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপপর্ব শুরুর পর নেপালের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছিল তারা।
২০২২ সালে অনূর্ধ্ব-২০ ক্যাটগরির আসরে ভারতের বিপক্ষে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল বাংলাদেশ। এবার সেমি-ফাইনালে তাদেরকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ফাইনালের মঞ্চে উঠে আসে বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে।
শুরুতে আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ; কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে আধিপত্য বাড়তে থাকে নেপালের। অষ্টম মিনিটে প্রথম কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েন সেমি-ফাইনালে টাইব্রেকারে ভারতের বিপক্ষে দুটি সেভ করা গোলরক্ষক আসিফ হোসেন।
বক্সের বেশ খানিকটা দূর থেকে নিরাজন ধামীর দুরপাল্লার শট অনেকটা লাফিয়ে আঙুলের টোকায় ক্রসবারের উপর দিয়ে বের করে দেন আসিফ।
ষোড়শ মিনিটে সতীর্থের থ্রু পাস অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে ধরে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন সমীর তামাং, তবে রাজীব হোসেন ছুটে গিয়ে দারুণভাবে ক্লিয়ার করেন। গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট নিতে পারেননি সমীর।