আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষ তীব্র হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইয়েমেনের সেনাবাহিনী জানায়, দেশটির বিভিন্ন ফ্রন্টে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি বলেন, দক্ষিণ হারাধ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে শুরু করে কিতাফ, আল-জাওফ, মারিব, আল-বায়দা, লাহজ, সানা ও সা’দা পর্যন্ত বিভিন্ন ফ্রন্টে অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে তাইজকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, এসব অভিযানে হুতিদের সমাবেশ, সামরিক রসদ, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং অন্যান্য সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে ১ হাজার ৫৪০ হুতি যোদ্ধা নিহত বা আহত এবং ২১৬টি সামরিক যান ও অন্যান্য সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে হুতিরাও। ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ের মধ্যেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে সৌদি ভূখণ্ডে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, সৌদি আকাশসীমার দিকে ছোড়া তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাইতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল।
এছাড়া পবিত্র নগরী মদিনার বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে হুতিদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে অস্বীকার করেছে হুতিরা।
হুতিদের হামলা মোকাবিলায় আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। আগামী সপ্তাহে সৌদিতে তিন দেশের জরুরি বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। আগস্টে সই হওয়া ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে’ আরও ছয়টি দেশ যোগ দিতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি

